leadnewsডেমরা

ডেমরায় নির্বাচিত কাউন্সিলর বাড়ী ঘর ও কার্যালয় ভাঙচুর

ডেমরা নিউজঃ ডেমরায় ডিএসসিসির ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর মো. ইবরাহীমের বাড়ী ঘর ও অফিস ভাঙচুর করেছে দুবৃত্তরা। এ সময় রাস্তার কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করে তারা।
রামদা, লাঠিশোটা ও দেশীয় অস্ত্রসহ কাউন্সিলরের ১০/১২ জন কর্মীর ওপর হামলা চালালে তারা গুরুতর আহত হন। হামলার পর ওই দুবৃত্তরা কাউন্সিলরের কয়েকজন কর্মীর বাড়ীতে গিয়েও হামলা চালায়। এ সময় কাউন্সিলরের প্রতিবেশী আত্মীয় ফেরদৌসি নামের মহিলাকে রামদা দিয়ে কোপ দেয় দুবৃত্তরা। রোববার রাতে সারুলিয়া আমতলা এলাকায় এ তান্ডবের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কাউন্সিলর ইবরাহীম অভিযোগ করেছেন প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. ফিরোজ আলমের বিরুদ্ধে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত ১ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের দিন ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্রগুলোতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. ফিরোজ আলম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং কাউন্সিলর ইবরাহীমের নেতাকর্মীদের বাকবিতন্ডা হয়। নির্বাচন কেন্দ্র করে ওইসব ঘটনায় রোববার রাতে হঠাৎ পরপর দুই বার নির্বাচিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত কাউন্সিলর ইবরাহীমের বাড়ী ও কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। ওই রাতে শতাধিক দুর্বৃত্ত সঙ্গবদ্ধ হয়ে ভাঙচুর ও হামলা চালায়।

কাউন্সিলর ইবরাহীম বলেন, নির্বাচনে পরাজিত হওয়াকে কেন্দ্র করেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. ফিরোজ আলম আমার বাড়ী, কার্যালয় ও দোকানপাটে তার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে সহিংসতা চালিয়েছেন। ফোন করে বিষয়টি তার সঙ্গে আলাপ করলে তিনি কর্নপাত না করে উল্টো আমার ঘারে দোষ চাপাচ্ছেন। ফিরোজ আলমের নেতাকর্মীদের ওপর আমরা হামলা চালিয়েছি এমন অপপ্রচার চালানোসহ আমাকে মৃত্যুর হুমকিও দিচ্ছেন তিনি।

এ বিষয়ে ফিরোজ আলম বলেন, আমার লোকদের উপর প্রতিপক্ষ ইবরাহীমের লোকজন হামলা চালিয়ে আমার তিন নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে।

এ বিষয়ে ডেমরা থানার ওসি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে ওই দুবৃত্তরা ফিরোজ আলমের নেতাকর্মী কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি কারণ ফিরোজ আলম এ বিষয়ে অস্বীকার করে। তবে ফিরোজ আলম জানান তার নেতাকর্মীদের ওপর ইবরাহীমের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে আহত করেছেন যারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ নেওয়া হয়েছে তদন্তও চলছে। তবে এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়াসহ দ্রুত চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানান ওসি।