Uncategorized

দরপতনে পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ

মূল্য সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার শেষ হয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেন। এ নিয়ে সপ্তাহে পাঁচ কার্যদিবসের চার দিনই সূচকের পতন হলো।

বৃহস্পতিবার দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এর ফলে দ্বিতীয় দিনের মত পতনে বিরাজ করছে বাজার।

আজ শুরু থেকে মিশ্র প্রবণতা থাকলেও প্রায় দেড় ঘণ্টা সেল প্রেসারে নামতে থাকে সূচক। বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। আর টাকার অংকে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আলোচিত সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৩৫ কোটি টাকা।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ ডিএসইতে ৬৩৫ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের তুলনায় তুলনায় ৪৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা কম। গতকাল বুধবার ডিএসইতে ৬৮৪ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।

আজ ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯০টির, কমেছে ১৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টির শেয়ার দর।

এদিকে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৩০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩৯৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৫৫ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৯৯১ পয়েন্টে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৩৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৬ হাজার ৬৯৮ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৩৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ার।

ডিএসইতে আজ সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে প্রকৌশল খাতে। আগের দিনের তুলনায় এই খাতে ট্রেড বেড়েছে অনেক বেশি। লেনদেনের ভিত্তিতে দেখলে আজকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল টেক্সটাইল খাত এবং ব্যাংকিং খাত। তবে অন্য দিনের তুলনায় উভয় খাতেই লেনদেন কম হয়েছে। তুলনামূলকভাবে মার্কেটের বাকি খাতগুলোর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে উভয় খাতেই। তাই বলা যেতে পারে যে অন্য খাতগুলো থেকে অর্থের প্রবাহ এই খাতগুলোতে বেশি হয়েছে।

There I saw the challenges of managing a 24-7 operation buy essay cheap see here now where more than 100 families each day come to request emergency shelter