Uncategorized

প্রতিদিন আসছে ১৮ হাজার রোহিঙ্গা

মিয়ানমারে সহিংসতা-নির্যাতনের কারণে গড়ে প্রতিদিন বাংলাদেশে ১৮ হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত এক মাসেরও কম সময়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা বেড়ে চার লাখ নয় হাজারে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘ। আলজাজিরা অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘ বলেছে, গত শুক্রবার একটি ক্যাম্পের কাছে কিছু ব্যক্তির কাপড় বিতরণের সময় ‘ছুটাছুটি’ করতে গিয়ে দুই শিশু ও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

আলজাজিরার খবরে বলা হয়, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার আগমনে এরই মধ্যে জনাকীর্ণ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর অবস্থা শোচনীয় হয়ে গেছে।

এমন বাস্তবতায় জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় অধিবেশনে তিনি রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর কাছে সাহায্য চাওয়ার পাশাপাশি মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়ানোর তাগিদ দেবেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইন রাজ্যে একসঙ্গে ২৪টি পুলিশ ক্যাম্প ও একটি সেনা আবাসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। এরপর প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে ছুটে আসতে থাকে রোহিঙ্গারা। ইতোমধ্যে এ সংখ্যা চার লাখ নয় হাজারে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে দেশটির উত্তর-পূর্ব রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতা চালায় দেশটির সেনাবাহিনী। সে সময় সহিংসতার শিকার হয়ে প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এর আগে ২০১২ সালের জুনেও রাখাইন রাজ্য সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় আক্রান্ত হয়েছিল। তখন প্রায় ২০০ রোহিঙ্গা নিহত হন। ওই সময় দাঙ্গার কবলে পড়ে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।

If you’re careful and honest, there may be a few ways help me with my homework you can share your short stories, personal essays, and poems with a small group of people using the web without inciting the ire of irascible editors