Uncategorized

বেপরোয়া গাড়ি চালানোর দুর্ঘটনায় ২৫ লাখ টাকা জরিমানা

ঢাকা: গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে ১ মাস কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা। আর বেপরোয়া গাড়ি চালানোর দুর্ঘটনায় তিন বছর জেল বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডই হতে পারে।

প্রস্তাবিত আইনে সাধারণ চালকের বয়স ১৮ বছর ও পেশাদার চালকের বয়স ২১ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।সড়ক পরিবহন আইন-২০১৭ এর খসড়ায় সোমবার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।এতে সংশ্লিষ্ট আইন অমান্যে অন্যান্য সাজাও বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ব্রিফকালে সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের নির্দেশে এ সম্পর্কিত পূর্ববর্তী অধ্যাদেশের স্থলে এ নতুন আইনের খসড়ায় অনুমোদন দেয়া হয়।
তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিণত হয়েছে। এ জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে খসড়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এতে গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে ১ মাস কারাদন্ড বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং বেপরোয়া গাড়ি চালানোর দুর্ঘটনায় ৩ বছর জেল বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডই হতে পারে।
প্রস্তাবিত আইনে সাধারণ চালকের জন্য বয়স ১৮ বছর ও পেশাদার চালকের বয়স ২১ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন আইনে চালকের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণী এবং হেলপার বা সহযোগীর জন্য ৫ম শ্রেণীর প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ আইনে লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোর মতো অপরাধের ক্ষেত্রে ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে পরোয়ানা ছাড়াই অভিযুক্তকে গ্রেফতারের বিধান রয়েছে।
তবে ভুয়া লাইসেন্সধারী চালকের দুই বছর কারাদণ্ড বা তিন লাখ টাকা জরিমান বা উভয় দণ্ডের প্রস্তাব রয়েছে।
প্রস্তাবে গাড়ির কন্ডাকটরদের জন্য লাইসেন্সের বিধান রয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘিত হলে এক মাস জেল বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডই হতে পারে। পাশাপাশি ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া গাড়ি চালালে এক মাস জেল বা এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
সচিব আরো বলেন, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে এবং তা নরহত্যার পর্যায়ে হলে সেক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা প্রযোজ্য হবে। তবে এই হত্যাকাণ্ড খুনের পর্যায়ে না হলে ৩০৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।
এ ছাড়া ওজনসীমা অতিক্রম করলে গাড়ির মালিক ও চালকের জন্য তিন বছর জেল বা তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডই হতে পারে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, চালকদের সুপরিচালনার জন্য পয়েন্টভিত্তিক ব্যবস্থা চালু হবে। এতে মোট ১২ পয়েন্ট থাকবে। সংশ্লিষ্ট আইন লঙ্ঘনের অপরাধে এই পয়েন্ট কাটা যাবে। কোন চালকের সব পয়েন্ট কাটা গেলে তার লাইসেন্স বাতিল হবে।

প্রস্তাবিত সড়ক আইন প্রসঙ্গে তিনি তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে দ্বিবিধ নির্দেশনা রয়েছে। এর প্রথমাংশে ১৪টি এবং দ্বিতীয়াংশে ১১টি নির্দেশনা রয়েছে।

প্রথমাংশের নির্দেশনা অমান্যে চালককে তিন মাসের কারাদণ্ড বা ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড এবং দ্বিতীয়াংশের নির্দেশনা লঙ্ঘনের জন্য এক মাস কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা জারিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

Lawyer shows says april 16, 2015 at 9 51 am first of all I help me write my essay would like to say great blog