ডেমরায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী নিহত।
ডেমরা নিউজ: ডেমরা’য় বামৈল এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নাহিদ ইসলাম (১২) নামে বাইসাইকেল আরোহী এক মাদ্রাসার শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
সে জামিয়া করিমা হাফিজিয়া নামে একটি হেফজ মাদ্রাসার হাফিজির শিক্ষার্থী ছিল।
মঙ্গলবার (১২জুন) সন্ধ্যা পৌনে ছয় টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
উদ্ধারকারী পথচারী জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন বিকালে বামৈল ব্রিজ এলাকায় দিয়ে বাই সাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময়ে একটি মটরসাইকেল তার বাই সাইকেল টিকে ধাক্কা দিলে সে সাইকেল নিয়ে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।
পরে তাকে উদ্ধার করে, তার স্বজনদের সংবাদ দেয়া হয়।
পরে স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা পৌনে ৭ টায় চিকিৎসক পরিক্ষা নিরিক্ষার পর মৃত ঘোষণা করেন।
জাহিদুল ইসলাম আরও বলেন এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক আরোহী সহ দুইজন আহত হয়েছিলেন তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মোঃ বাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন মৃতদেহ টি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবিহিত করা হয়েছে।
নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরখাগড়া গ্রামের মো: জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে।
বর্তমানে ডেমরা স্টাফ কোয়াটার পশ্চিম পাড়া দেল্লা ভাড়া বাসায় থাকতো।
শিশুটির বাবা জানিয়েছেন, তার ছেলের কোন বাইসাইকেল ছিল না।
নাহিদ বামৈল এলাকায় মাদ্রাসায় থাকতো। দু-এক দিন পর পর বাসা আসতো।
তিনি বলেন, আমি ছেলে কে আল্লাহর রাস্তায় দিয়েছিলাম। সে ছয় পারা কোরআন মুখস্ত করেছে।
তিনি আরও বলেন, নাহিদের আগামিকাল। মঙ্গলবার আসার কথা ছিল, গত শনিবারে বাসায় এসে মাকে বলেছিল আগামী মঙ্গলবার বিকেলে বাসায় আসব মাকে বলেছিল গরুর মাংসের সে কালো ভুনা খেতে চেয়ে ছিল তার মা’য়ের কাছে।
আমরা আগে থেকেই তার জন্য ব্যাবস্থা করে রেখেছিলাম, এই বলে বিলাপ করছিলেন তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম।
তার বাবা স্টাফ কোয়াটার এলাকায় ফুটপাতে চায়ের দোকান করেন।
মৃত নাহিদ বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান।
তার বড় মায়ের ঘরে এক ছেলে এক মেয়ে রয়েছে।
##
