Uncategorized

নারিন-গাম্ভীরে কলকাতার দুর্দান্ত জয়

নিউজ ডেস্ক :

আগের ম্যাচে ইনজুরিতে পরেন ক্রিস লিন। তার পরিবর্তে আজ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে সুনীল নারিনকে নামানো হয়। বোলিং অলরাউন্ডার নারিন যা করেছেন তা এক কথায় অবিশ্বাস্য।

বরুণ অরুণের বলে আউট হওয়া পর্যন্ত ১৮টি বল খেলেছিলেন তিনি। তাতে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৩৭ রান করে যান। স্ট্রাইক রেট ২০৫.৫৫! তার এমন বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে কলকাতা রেকর্ড ৭৬ রান সংগ্রহ করে। যা আইপিএলে কলকাতার পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ রান।

শুরুতেই ৭৬ রানের জুটি পাওয়ায় কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের ছুড়ে দেওয়া ১৭১ রানের টার্গেট ছুঁতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি কলকাতার। নারিনের পর দলীয় ১১৬ রানের মাথায় রবীন উথাপ্পা ১৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৬ রান করে অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হন। এরপর গাম্ভীরের সঙ্গে ৫৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন মানিশ পান্ডে।

অধিনায়ক গৌতম গাম্ভীর ৪৯ বলে ১১টি চারে ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন। তার সঙ্গে মানিশ পান্ডে ১৬ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। তাতে ৮ উইকেট ও ২১ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত হয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের।

তার আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করেছিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। ব্যাট হাতে মানান বোহরা ও ডেভিড মিলার ২৮টি করে রান করেন। ২৫টি করে রান পান হাশিম আমলা, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ঋদ্ধিমান সাহা। বল হাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের উমেশ যাদব ৪টি উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন ক্রিস ওকস।

বল হাতে ১ উইকেট ও ব্যাট হাতে ৩৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন সুনীল নারিন।

In den hausarbeit industrielle revolution thematischen partien wurde eine melodische und harmonische periodizität deutlich, die der musik eine am liedgesang orientierte verständlichkeit verlieh