বন্ধন খেলাঘর আসর”-এর ইমন খান ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সম্পাদক নির্বাচিত
ডেমরা নিউজঃ ‘আমরা শিশু জালবো আলো,দূর করবো আঁধার কালো’ এই স্লোগান কে সামনে রেখে ‘খেলাঘর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ’ ২২ ও ২৩ মার্চ দুই দিন ব্যাপী এক জমকালো সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রথম দিন ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে’ সকাল ১০.৩০ মি: উদ্বোধন ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন খেলাঘরের বিভিন্ন কর্মকর্তা, শতশত সভ্য (খেলাঘরের প্রাণ ছোট্ট সোনামণি ভাইবোন) সহ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভিসি অধ্যাপক ড.বিশ্বজিৎ ঘোষ,শিল্পী রফিকুল আলম, খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য একুশের পদক বিজয়ী শিল্পী লায়লা হাসান,কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী ইদরিস,ডা.লেলিন চৌধুরী,রুনু আলী,তৌহিদ রিপন এবং সকলের প্রিয় চেয়ারপার্সন অধ্যাপক মাহফুজা খানম ।
প্রথম দিন দুপুর ২ টায় ‘বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি’র মিলনায়তনে সম্মেলনের সাংগঠনিক অধিবেশন শুরু হয়। দীর্ঘ সময় আলোচনা,পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে সফল সাধারণ সম্পাদক মো: আকতার হোসেন তার দায়িত্ব ছেড়ে দিলে,আরেকজন পরীক্ষিত দক্ষ কর্মী জুয়েল মজুমদার কে সাধারণ সম্পাদক এবং সফল সভাপতি কাজী জাবেদ ইকবাল শিহাবকে পুনরায় সভাপতি করে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়। উল্লেখ্য নতুন কমিটিতে বন্ধন খেলাঘর আসরের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমন খান কে সম্পাদক হিসেবে নির্বাচন করা হয়।
এ সম্পর্কে ইমন খানের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, “নিঃসন্দেহে অনেক গৌরব, সন্মান,আর দায়িত্ব বোধের পদ এটি । অবশ্য পদ ছাড়াও শিশু-কিশোরদের জন্য কিছু করতে পারার আনন্দ কম নয়। কারণ ‘খেলাঘরের’ শ্লোগানের মতো আমিও বিশ্বাস করি, ‘আজকের খেলাঘর তথা শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ’। আমি ২১ বছর ধরে খেলাঘরের সাথে সম্পৃক্ত,যার মধ্যে ২০০৬ সাল থেকে আসরের কর্মী / প্রশিক্ষক হয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ‘বন্ধন খেলাঘর আসর’ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শরীর-হীন প্রাণপুরুষ ডা: মো: আনোয়ারুজ্জামান (আনু) ভাই এবং সফল সাধারণ সম্পাদক মো:মিজানুর রহমান মিজান ভাইয়ের পর ২৭ বছরের মধ্যে তৃতীয় কর্মী হিসেবে এ আসর থেকে আমার এ অর্জন। আর তাই আনন্দের সীমারেখাও অনেক। এজন্য আমি কৃতজ্ঞ ‘খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটি’, ‘খেলাঘর ঢাকা মহানগর’ ও আমার আসরের কাছে। সকলের দেয়া ভালোবাসা এবং বিশ্বাসের প্রতিদান দেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন নতুন কমিটির অভিষেক, শপথ পাঠ ও জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ‘বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউটে’। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম সুজন এম.পি উক্ত আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।
