লক্ষীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগে বৈষম্য।
ফিরোজ আলম:
লক্ষীপুর সদর উপজেলা নির্বাচন আগামি ২৪ শে মার্চ।সেই লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু মাদ্রাসায় চিঠি পাঠায়।কিন্তু সে চিঠিতে কোন এক জন মাদ্রাসার শিক্ষক ও প্রিসাইডিং অফিসারের তালিকায় নেই। খোজ নিয়ে জানা যায় মাদরাসার ৫ম গ্রেডধারী ভাইস প্রিন্সিপ্যাল, ৬ষ্ঠ গ্রেডধারী সহকারি অধ্যাপক,৭ম গ্রেডধারী সিনিয়র প্রভাষক,৯ম গ্রেডধারী প্রভাষক যেমনি সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার তেমনি মাদ্রাসার কেরানি, সহকারি লাইব্রেরিয়ান, নন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার। বিষয়টি নিতান্তই লজ্জার। অন্যদিকে কলেজের ৭ম গ্রেডধারী শিক্ষক সচরাচর প্রিসাইডিংঅফসার। কলেজের শিক্ষকরাও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত ,মাদ্রাসার বহু শিক্ষক ও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত,তাহলে কোন যু্ক্তিতে মাদ্রাসার শিক্ষকদের প্রতি এই অবাক বৈষম্য।
জাতীয় নির্বাচনে মাদ্রাসার যে সমস্ত শিক্ষক প্রিসাইডিং অফিসার হয়েছিলেন তারা ও এখন সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার না হয় তালিকা থেকেই বাদ।ধরে নিলাম উপজেলা নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের সংখ্যা কম, সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার বেশি লাগবে তাহলে মাদ্রাসার সকল শিক্ষককে সংযুক্ত করলে তার সমাধান পাওয়া যেত,কিন্তু মাদ্রাসার বহু সহকারি শিক্ষককে (১১তম থেকে ১৩ম) দায়িত্বে না রেখে মাদ্রাসার যেমনি ৫ম,৬ষ্ঠ,৭ম গ্রেডের শিক্ষককে সহকারি প্রিসাইডিং দেওয়া হল আবার তেমনি ১৪তম,১৫ তম গ্রেডের শিক্ষকদেরকে সহকারি প্রিসাইডিং দেওয়া কতটুকু যৌক্তিক?
ফিরোজ আলম, প্রভাষক ও বিভাগীয় প্রধান, আয়েশা (রা:) মহিলা কামিল ( অনার্স,এমএ) মাদ্রাসা,লক্ষীপুর ও সাধারন সম্পাদক বিএমজিটিএ লক্ষীপুর জেলা শাখা।
মতামত এর জন্য সম্পাদক দায়ী নয় ।
